﻿ইঞ্জিল শরিফ ২২ নম্বর ছিপারা: দুছরা পিতর.
1.
আমি সাইমন-পিতর, হজরত ইছা আল-মসীর একজন গুলাম আর সাহাবি। তুমরা যেরা আমরার লাখান, আমরার আল্লা আর তরানেআলা ইছা আল-মসীর পাক-পরেজগারিয়ে একই লাখান মহা দামি ইমান হাছিল করছো, আমি তুমরার গেছে লেখরাম। 
আল্লা পাক আর আমরার মালিক হজরত ইছারে পুরাপুর চিনার মাজদি, তুমরার উপরে বেশ করি রহমত আর শান্তি নাজিল অউক। 
যেইন তান নিজর মহিমা আর গুনে আমরারে দাওত দিছইন, তানরে পুরাপুর চিনার মাজদি তান কুদরতে আমরা অলা নিয়ামত পাইছি, যাতে আমরা পরেজগার বনিয়া জিন্দেগি কাটাই। 
তান মহিমা আর গুনে আমরার লগে মহা দামি আর বউত বড় বড় ওয়াদা করছইন, যাতে তুমরা দুনিয়াবি হকল বদ খাইশ থাকি বাচিয়া আল্লাই গুনর ভাগি অও। 
এরদায় তুমরা খুব খিয়ালি অইয়া, ইমানর লগে নেক খাইছলত, নেক খাইছলতর লগে আল-মসীরে চিনার আখল, 
ই আখলর লগে নিজরে সামলানি, সামলানির লগে ধৈর্য আর ধৈর্যর লগে পরেজগারি, 
পরেজগারির লগে একে-অইন্যে মায়া, আর একে-অইন্যে মায়ার লগে আল্লাই মহব্বতে বাড়ো। 
তুমরার মাজে যুদি ইতা গুনাগুন থাকে, আর ইতা ভরিয়া পড়াত রয়, তে আমরার মালিক ইছা আল-মসীরে পুরাপুর চিনা খান তুমরার বেকামা-বেহুদা যাইতো নায়। 
অইলে যে জনর মাজে ইতা গুনাগুন নাই, হে তো আন্দা, হে কুন্তাউ বুজে না। কারন আগর যে গুনা থাকি তারে পাক-ছাফ করা অইছে, ইখান হে ফাউরিলিছে। 
এরলাগি ভাই অকল হুনো, আল্লায় যেন হাছাউ তুমরারে দাওত দিছইন আর পছন্দ করছইন, ইতা নিচ্চিত করার লাগি আরো বেশি খিয়ালি অও। ইলা করলে তুমরা কুনু সময় উষ্টা খাইতায় নায়। 
আর আমরার মালিক তরানেআলা ইছা আল-মসীর হামেশাকুর বাদশাইত তুমরারে আদর করি হারাইল অইবো। 
এরলাগি, আমি হামেশা তুমরারে অতা বেয়াপারে মনো করাই দিরাম, যুদিও ইতা তুমরার জানা আছে আর তুমরার গেছে যে হকিকত আইছে, ইতাত থিরও আছো। 
আসলে আমি মনো কররাম, আমি যতদিন তাম্বুর লাখান অউ শরিলে বাচিয়া রইমু, অতদিন তুমরারে অতা মনো করাই দিয়া হজাগ রাখা উচিত। 
কারন আমি তো আর বেশি দিন অউ শরিলে রইতাম নায়, আমরার মালিক ইছা আল-মসীয়ে ইখান আমারে পরিস্কার জানাই দিছইন। 
তে আমার মউতর বাদেও হামেশা যাতে অতা মনো রাখতায় পারো, আমি অউ মেনতও করমু। 
আমরার মালিক ইছা আল-মসীর কুদরতি শক্তি আর তান হিরবার তশরিফ আনার কথা জানানিত গিয়া, আমরা কুনু বানাইল কিচ্ছা কইছি না। আমরা তো নিজর চউখে তান মহিমা দেখছি। 
আছমান থাকি জালাল আর শানর যে আওয়াজ আইলো, “এইনউ আমার খাছ মায়ার জন ইবনুল্লা, এন উপরে আমি খুব খুশি,” অউ আওয়াজর মাজদি আল-মসীয়ে তান গাইবি বাফ আল্লার গেছ থাকি ইজ্জত আর গৌরব পাইছইন। 
আমরা যেবলা তান লগে হউ পবিত্র পাহাড়ো আছলাম, অউ সময় নিজর কানে বেহেস্তর অউ গাইবি আওয়াজ হুনছি। 
আর আমরার লাগি আরো বড় পরমান অইলো, পাক কিতাবো নবী অকলে যততা বাতাই গেছইন। আন্দারির মাজে তুমরার চউখ যেলাখান রুশনির বায় থাকে, ঠিক অলাখান যত সময় বিয়ান অইছে না আর তুমরার দিলো ফজরর শুক-তেরা উঠছে না, অতো সময় তুমরা নবী অকলর কথায় খিয়ালি অও, তেউ তুমরার ভালা অইবো। 
আর খাছ করি মনো রাখিও, কিতাবর মাজর কুনু কথা নবী অকলর মনগড়া নায়। 
কারন নবী অকলে তারার ইচ্ছামতো কুনু কথা কইছইন না, খালি পাক রুহর বলে আল্লার দেওয়া বুলি বাতাইছইন। 
