﻿জবুর.
35.
হজরত দাউদর মিজমর। আমার বিরুধিতা করের যারা, তুমি মাবুদে করো তারার বিরুধিতা, লাড়াই করের যারা আমার লগে, তুমিও লাড়াই করো তারার লগে। 
জান বাচানির আতিয়ার লও তুমার আতো, আমার সাইয্যর লাগি জলদি আও গো। 
আমারে খেদাওরার লাগি আতো লও ছুলফি-কুচা, আমার জানরে কও গো, “আমিউ তুমার বাচানেআলা।” 
আমারে খুন করতো চায় যারা, বেইজ্জত-শরমিন্দা অউক তারা, আমার খেতি করতো চায় যারা, বাগিয়া যাউক তারা মাথা নোয়াইয়া। 
ধানর ছুছারে যেলা তুফানে নেয় উড়াইয়া, মাবুদর ফিরিস্তায় অলা তারারে দেউক্কা খেদাইয়া। 
তারার পথ অউক আন্দাইর আর পিছলা, খেদাইয়া নেউক্কা তারারে মাবুদর ফিরিস্তা। 
মোরে ধরার লাগি তারা পাতিছে জাল লুকাইয়া, আমার জান নিবার লাগি খুদিছে গাত খামোখা। 
আখতা করি তারার উপরে সর্বনাশ লামউক, তারার পাতাইল জালো তারাউ হামাউক। 
তেউগি আমার দিলে গাইবো মাবুদর খুশির গান, তাইন আমার জান বাচানিয়ে গাইমু তান শান। 
আমার মনে-তনে কউক, “ও আল্লা, তুমার হমান আর কে আছে জগতে? বলবানর আত থাকি উদ্ধার করো নিরাশ্রয়রে, লুটকারির গেছ থাকি তুমি বাচাইরায় দুখি-কাংগালরে।” 
ইংসাখুর মিছা সাক্ষির দল লাগছিল আমার বিরুদ্ধে, আমি যেতা জানি না অতা বিষয় মোরে জিকাইছে। 
উপকারর বদলা তারা করছে আমার খেতি, কতো কপাল পুড়া আমি, হায়-হুতাস করি। 
বেমার-আজার অইলে তারার ছলার চট ফিন্দিতাম, কষ্ট করি রোজা রাখিয়া দিলে-জানে দোয়া করতাম। 
ভাই-বিরাদর দুস্ত মরলে মানষে কান্দে যেলা, তারার লাগি আমিও তো কান্দিতাম অলা, মা মরলে কান্দি কান্দি মাথা যেলা অইযায় নিচা। 
আমি কুনু উষ্টা খাইলে খুশির ঠেলায় তারা জমে, অচিনা মানষে মোর বদনাম গাইতে আর মাইর-ধইর করতে না থামে। 
বেইমানর দলে মিলি আসি-তামশা করলো মোরে, দাত কিড়িমিড়ি খাইলো তারা আমার বিরুদ্ধে। 
চাইয়া চাইয়া কতদিন দেখতায় মাবুদ তারার ইংসা-ঘিন্না? সিংহর দাতো থাকি আমার জানখান তুমি বাচাও না। 
মহা মজলিছো আমি আদায় করমু শুকরিয়া, তুমার তারিফ গাইমু আমি বউত মানষর ছামনে দিয়া। 
মিছা মাতরা দুশমন পালে না করউক খুশি-বাসি মোরে লইয়া, খামোখা ঘিন্নায় মোরে যারা চউখ টিপাটিপি করিয়া, 
তারা তো শান্তির মাত মাতে না, দেশর নি-অপরাধি মানষর লগে করে ছলনা। 
মুখ ভেংগাইয়া আমার বায় তামশা করি কয় তারা, “কতো মজা, কতো মজা, নিজর চউখে দেখলাম আমরা।” 
নিরাই রইও না মাবুদ গো দেখরায় তো হকলতা, আমারে ছাড়িয়া মাবুদ হরিয়া রইও না। 
জলদি করি আগুয়াই আও করো আমার হক বিচার, আমার পক্ষে রও গো আল্লা তুমিউ মাবুদ আমার। 
আমার বিচার করো আল্লা নিজর পাক পরেজগারিয়ে, ওগো আমার আল্লা মাবুদ, মোরে লইয়া তারা যানু খুশি-ফুর্তি না করে। 
তারার দিও না মনে মনে কইতে, “আমরা যেতা চাইছি অতাউ তো অইছে।” এওখান কইতে দিও না তুমি তারারে, “জিন্দা গিলিয়া হারাইছি অগুরে পেটর ভিতরে।” 
মছিবত দেখিয়া আমার করইন যেতায় খুশি-ফুর্তি, শরমিন্দা বনিয়া তারা অউক নিচা মুখি, আমার উপরে যেতায় করে বড়াই-বেটাগিরি, শরম আর বেইজ্জতিত ডুবউক ইতা হক্কলটি। 
পাক-পরেজগারি দেখিয়া মোর অয় যারা খুশ-বাস, খুশির চুটে তারা করউক আনন্দ-উল্লাস। হর-হামেশা কউক তারা আলহামদুলিল্লা, নিজর বন্দার শান্তি দেখিয়া খুশি অইন তো আল্লা। 
তুমার হক বিচারর গুন গাইমু আমার জিফরাদি, গুনগান গাইমু তুমার দিন-রাইত ভরি॥ 
