﻿পরমগীত.
6.
রমণীদের মধ্যে সুন্দরী শ্রেষ্ঠা, তোমার প্রেমিক কোথায় গেছে? তোমার প্রিয়তম কোন দিকে গেছে? আমাদের বল, তাহলে, তাকে খোঁজার ব্যাপারে, আমরা তোমাকে সাহায্য করতে পারি| 
আমার প্রিয়তম তার মশলার বাগানে গিয়েছে| সে তার বাগানে ঘুরে বেড়াতে ও পদ্ম ফুল তুলতে গেছে| 
আমি একমাত্র আমার প্রেমিকের এবং আমার প্রেমিক একমাত্র আমারই| সে পদ্ম বনে ঘুরে বেড়ায়| 
হে প্রিয়তমা, তুমি তির্সার মত সুন্দর, জেরুশালেমের মত মনোরম, দুর্গ দ্বারা রক্ষিত নগরীর মত ভয়ঙ্কর| 
আমার দিকে চেয়ে দেখো না! তোমার দুটি চোখ আমায় অস্থির করে দেয়! তোমার কেশরাশি, গিলিয়দ পর্বতের ঢাল বেয়ে নেমে আসা একদল ছাগলের মত| 
তোমার দাঁতগুলো সদ্য স্নাত ছাগীর মত| তারা প্রত্যেকেই যমজ বৎস জন্ম দিয়েছে এবং একটা মেষও তার শাবককে হারায় নি| 
তোমার গণ্ডদেশ ডালিম ফলের দুটি আধখানা টুকরোর মতো| 
ষাট জন রাণী বা 80 জন উপপত্নী থাকতে পারে, এমনকি অগণিত তরুণীরাও থাকতে পারে, 
কিন্তু আমার পরিপূর্ণা, আমার কপোতী অদ্বিতীয়া| সে তার মায়ের কাছে অনন্যা, যে তাকে জন্ম দিয়েছিল তার সব থেকে প্রিয় সন্তান! যুবতী রমণীরা তার দিকে চেয়ে দেখে এবং তার রূপের প্রশংসা করে| শুধু তাই নয়, রাণীরা এবং উপপত্নীরাও তার প্রশংসা করে| 
ঐ তরুণী মেয়েটি কে? মেয়েটি ভোরের আভার মতই উজ্জ্বল| সে চাঁদের মত সুন্দর| সে সূর্যের মত উজ্জ্বল| সে শোভাযাত্রার তারাদের মত সম্ভ্রান্ত| 
উপত্যকার ফল দেখতে আমি আখরোটের বাগানে গেলাম, দেখতে গেলাম দ্রাক্ষাক্ষেতে অথবা ডালিমগাছে ফল ধরেছে কিনা| 
আমি নিজেও জানতাম না যে সে আমাকে রথের ওপর যুবরাজ হিসেবে বসিয়েছে| 
ফিরে এসো, ফিরে এসো শূলম্মীয়! ফিরে এসো, ফিরে এসো, যাতে আমরা তোমায় চেয়ে দেখতে পারি| শূলম্মীয়ের দিকে তুমি কেন তাকিয়ে দেখ? সে যে মহনয়িমে বিজয় নৃত্যে মগ্ন| 
